নীতি

বাংলাদেশ থেকে কি হিন্দুরা পালিয়ে যাচ্ছে? আসল চিত্রটা ভিন্ন।

গত দুই বছরে বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের বিষয়ে ব্যাপক আলোচনা হয়েছে বলে সরকার, রাজনৈতিক দল এবং সাধারণ নাগরিকরা এখন অন্তত ঘটনা প্রতিরোধে সতর্ক ও উদ্বিগ্ন।

কতকাল তারা আমাদের শ্রমিকদেরকে হত্যা করবে, আর আমরা পাশে দাঁড়িয়ে তাকিয়ে থাকব?

আমরা তাদেরকে "রেমিট্যান্স যোদ্ধা" বলি, আর এই উপাধি তারা অর্জন করেছে। তাদের অর্থ লাখ লাখ পরিবারকে টিকিয়ে রেখেছে এবং দেশের বৈদেশিক মুদ্রার মজুতকে শক্ত করে রেখেছে। তারা দুটি দেশকে পিঠে বয়ে বেড়াচ্ছে।

যখন যৌনতা হয়ে ওঠে ভিসা কৌশল

দালাল হয়তো একজনের কাছে সীমান্ত পেরোনোর পথ বিক্রি করে। কিন্তু নীরবে যা বিক্রি হয়ে যায়, তা একজন প্রকৃত শরণার্থীর বিশ্বাসযোগ্যতা এবং একজন বৈধ শিক্ষার্থীর সুযোগ।

রাষ্ট্র যখন প্রাণদণ্ড কার্যকর করে, তখন নাগরিকদের রক্ষা করে কে?

অন্য রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্বকে সম্মান করার অর্থ ন্যায্য বিচার-প্রক্রিয়া নিয়ে নীরব থাকা নয়, আর অর্থনৈতিক নির্ভরতা সরকারের নিজ নাগরিকদের পক্ষে দাঁড়ানোর দায়িত্ব বাতিল করতে পারে না।

আরেকটি শিশু শিরোনাম হয়ে ওঠার আগে

কেবল থানা, আদালত ও কারাকক্ষ দিয়ে একটি জাতি সুরক্ষিত হয় না। তার গভীরতম নিরাপত্তা নিহিত রয়েছে একটি শিশু ও তার চারপাশের প্রাপ্তবয়স্কদের মধ্যকার আস্থায়। সেই আস্থা ভেঙে পড়লে মর্মান্তিক ঘটনার পর যত গ্রেপ্তারই হোক, তা আর ফেরানো যায় না।

নীরবতার স্থাপত্য ভেঙে ফেলা

একটি সার্বভৌম রাষ্ট্রের প্রকৃত চরিত্র কখনো তার অবকাঠামোগত বৃহত্ত-প্রকল্প, জিডিপির ঊর্ধ্বমুখী গতিপথ, বা উঁচু ভবনের ছায়া দিয়ে পরিমাপ করা যায় না। আমাদের সভ্যতার প্রকৃত মানদণ্ড সম্পূর্ণভাবে নিহিত আমাদের সবচেয়ে অসহায় শিশুর বেঁচে থাকা নিশ্চিত করার সামর্থ্যে।

রাত ১০টা পর্যন্তই নাগরিক

বেগম রোকেয়া যদি বেঁচে থেকে "অবরোধবাসিনী" নামটি দেখতেন -- যেই প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে নারী শিক্ষার্থীরা এসব বিধিনিষেধকে চ্যালেঞ্জ করছেন -- তাহলে হয়তো তিনি এর নতুনত্বের আগে এর ধারাবাহিকতাটাই চিনে ফেলতেন।

যৌন অভিমুখিতা ও লিঙ্গ পরিচয়কে তালিকায় যুক্ত করার সময় এসেছে

যৌন অভিমুখিতা এবং লিঙ্গ পরিচয় যেহেতু জৈবিক এবং অপরিবর্তনীয়, সেহেতু এগুলোর ভিত্তিতে বাংলাদেশ ২.০-এ কোনো প্রকার রাষ্ট্রীয় বৈষম্য মেনে নেওয়া যাবে না।