সেটি দলের লোকজনের চাঁদাবাজি হোক, বা তার আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বাড়াবাড়ি হোক, বা তার মন্ত্রিসভার নীতিগত ত্রুটি হোক, কিংবা তার বাসভবনকে ঘিরে থাকা যানজটের দুর্ভোগের মতো আপাতদৃষ্টে সামান্য কিছুই হোক, দায় শেষ পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রীর কাছেই এসে থামে।
নজরুল ও সুইটির মৃত্যুদণ্ডের এই বিয়োগান্ত ঘটনাটি আমাদের প্রবাসী শ্রমশক্তির প্রতি নীতিতে পরিবর্তনের প্রেরণা হোক। তাদের অধিকার ও কল্যাণকে আমাদের পররাষ্ট্রনীতির কেন্দ্রে রাখার সময় বহু আগেই পেরিয়ে গেছে।
জাতীয় স্বার্থে পুনর্মিলন জরুরি -- এতে সন্দেহ নেই। কিন্তু তার ন্যূনতম শর্ত হলো দায় স্বীকার, অনুতাপ ও অনুশোচনা। এই তিনটিতেই আওয়ামী লীগ ব্যর্থ। ফলে তাদের রাজনৈতিক পুনঃসংযুক্তি এখনই সম্ভব নয়।