রাজনৈতিক মতভেদ অনিবার্য, ক্ষোভও অনিবার্য, এমনকি বাংলাদেশের ইতিহাস ও রাজনীতি নিয়ে গভীর মতপার্থক্যও অনিবার্য -- কিন্তু শারীরিক ভয়ভীতি প্রদর্শন অনিবার্য হওয়া উচিত নয়।
নবী মুহাম্মদ (সা.) শুধু ন্যায় ও ন্যায্যতাকে সর্বোচ্চ গুরুত্বই দেননি; তিনি এমন নিয়ম ও প্রতিষ্ঠানও প্রতিষ্ঠা করেছিলেন, যার লক্ষ্য ছিল এমন একটি ‘উভয় পক্ষের জন্য কল্যাণকর’ (win-win) ব্যবস্থা তৈরি করা, যেখানে সমাজের সকল সদস্যের অধিকার ও স্বার্থ সুরক্ষিত থাকে।
যদি আমাদের কারাগারসমূহ এমন মানুষদের আটক রাখে, যাদের অপরাধ রাষ্ট্র দ্রুত প্রতিষ্ঠা করতে না পারে, তাহলে ক্ষমতায় কোন দল আছে তাতে সামান্যই আসে যায়।
রাজনৈতিক পরিবর্তন সুযোগের জন্ম দেয়। কিন্তু সেই সুযোগ স্থায়ী অগ্রগতিতে পরিণত হবে কিনা, তা নির্ধারণ করে প্রতিষ্ঠানগুলো -- আর তাই আমাদের আশার সম্ভাবনা তাদের কাঁধেই নির্ভরশীল।
জাতীয় স্বার্থে পুনর্মিলন জরুরি -- এতে সন্দেহ নেই। কিন্তু তার ন্যূনতম শর্ত হলো দায় স্বীকার, অনুতাপ ও অনুশোচনা। এই তিনটিতেই আওয়ামী লীগ ব্যর্থ। ফলে তাদের রাজনৈতিক পুনঃসংযুক্তি এখনই সম্ভব নয়।