Riaz Osmani

Riaz Osmani

Last seen: 1 year ago

Member since Aug 7, 2025

যেই বাংলাদেশটি বিদেশি পর্যটকরা দেখতে আসে

বাংলাদেশের পর্যটন শিল্পকে এগিয়ে নিতে হলে স্থানীয় পর্যটক হিসেবে আমরা কী কামনা করি, তার বাইরে গিয়ে বিদেশি পর্যটকরা কীসে আগ্রহী বলে আমাদেরকে জানাচ্ছে সেদিকেই দৃষ্টি দিতে হবে।

বাংলাদেশের চারটি শিক্ষাধারা এক করতে হবে কেন

এই শ্রেণি একদিকে তাদের সন্তানদেরকে ইংরেজি মাধ্যমে পাঠাচ্ছে, আবার একইসঙ্গে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান সমর্থন ও পৃষ্ঠপোষকতা করছে -- সম্ভবত কওমি মাদ্রাসাগুলোকে।

যৌন অভিমুখিতা ও লিঙ্গ পরিচয়কে তালিকায় যুক্ত করার সময় এসেছে

যৌন অভিমুখিতা এবং লিঙ্গ পরিচয় যেহেতু জৈবিক এবং অপরিবর্তনীয়, সেহেতু এগুলোর ভিত্তিতে বাংলাদেশ ২.০-এ কোনো প্রকার রাষ্ট্রীয় বৈষম্য মেনে নেওয়া যাবে না।

সংস্কারের সময় এখনই

সমাজের রক্ষণশীল অংশ প্রায়ই “প্রথাগত পরিবার”–এর কথা উল্লেখ করে। কিন্তু বাস্তবে সমাজের অনেক স্তরেই সেই আদর্শ কাঠামো ভেঙে গেছে বা পরিবর্তিত হয়েছে। এই বাস্তবতা ধর্মীয় উপদেশ বা প্রচারের মাত্রা যতই বাড়ুক না কেন, তাতে পরিবর্তিত হবে না।

যৌন সংখ্যালঘু সম্প্রদায়: বিজ্ঞান ও বাস্তবতা

বাস্তবতা হলো যে কাউন্সেলিং, থেরাপি, বৈদ্যুতিক শক, ধর্মীয় উপদেশ, কালোজাদু, জোরপূর্বক বিপরীত লিঙ্গের সাথে কাউকে বিয়ে দেওয়া, এমনকি তার সাথে যৌন সম্পর্ক -- এসব কিছুই একজন সমকামী মানুষকে বিষমকামী বানাতে পারে না (উল্টাটাও তাই)। অতএব, যৌন অভিমুখিতা একজন মানুষের জন্মগত বৈশিষ্ট্য এবং এর ভিত্তিতে কোনো প্রকার বৈষম্য করা যাবে না।

বাংলাদেশ ২.০-এ সমকামভীতি: এক অস্বস্তিকর বাস্তবতা

ইতিহাস বলছে, উপমহাদেশে এক সময়ে যৌনতার বৈচিত্র্যের প্রতি সমাজের সহনশীলতা ছিল। ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক আইন এবং ভিক্টোরীয় নৈতিকতা, সঙ্গে ইসলাম ধর্মের ব্যাখ্যা মিলেই আজকের এই অসহিষ্ণু সংস্কৃতি তৈরি হয়েছে। এই বাস্তবতায় বাংলাদেশে যৌন সংখ্যালঘু মুসলমান, হিন্দু বা অন্যদের পরিণতি কী?