সেটি দলের লোকজনের চাঁদাবাজি হোক, বা তার আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বাড়াবাড়ি হোক, বা তার মন্ত্রিসভার নীতিগত ত্রুটি হোক, কিংবা তার বাসভবনকে ঘিরে থাকা যানজটের দুর্ভোগের মতো আপাতদৃষ্টে সামান্য কিছুই হোক, দায় শেষ পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রীর কাছেই এসে থামে।
নজরুল ও সুইটির মৃত্যুদণ্ডের এই বিয়োগান্ত ঘটনাটি আমাদের প্রবাসী শ্রমশক্তির প্রতি নীতিতে পরিবর্তনের প্রেরণা হোক। তাদের অধিকার ও কল্যাণকে আমাদের পররাষ্ট্রনীতির কেন্দ্রে রাখার সময় বহু আগেই পেরিয়ে গেছে।
রাজনৈতিক মতভেদ অনিবার্য, ক্ষোভও অনিবার্য, এমনকি বাংলাদেশের ইতিহাস ও রাজনীতি নিয়ে গভীর মতপার্থক্যও অনিবার্য -- কিন্তু শারীরিক ভয়ভীতি প্রদর্শন অনিবার্য হওয়া উচিত নয়।
যদি আমাদের কারাগারসমূহ এমন মানুষদের আটক রাখে, যাদের অপরাধ রাষ্ট্র দ্রুত প্রতিষ্ঠা করতে না পারে, তাহলে ক্ষমতায় কোন দল আছে তাতে সামান্যই আসে যায়।
রাজনৈতিক পরিবর্তন সুযোগের জন্ম দেয়। কিন্তু সেই সুযোগ স্থায়ী অগ্রগতিতে পরিণত হবে কিনা, তা নির্ধারণ করে প্রতিষ্ঠানগুলো -- আর তাই আমাদের আশার সম্ভাবনা তাদের কাঁধেই নির্ভরশীল।