নির্বাচনী মঞ্চে দাঁড়িয়ে একজন রাজনীতিবিদ যদি ধরে নেন যে আল্লাহ কাকে আশীর্বাদ করবেন, কার ইবাদত গৃহীত হবে আর কার বিশ্বাস যথেষ্ট -- তা নির্ধারণ করার কর্তৃত্ব তার আছে, তাহলে আপাতদৃষ্টিতে ঐশী এখতিয়ারও রাজনৈতিক বিকেন্দ্রীকরণের আওতায় চলে এসেছে।
আধুনিক শিশু সুরক্ষা শিশুদের প্রায় বিপরীত একটি জিনিস শেখায়: তোমার শরীর তোমারই। শিক্ষক, ধর্মীয় ব্যক্তিত্ব, আত্মীয় বা অন্য যেকোনো প্রাপ্তবয়স্কের অনুচিত স্পর্শ তুমি প্রত্যাখ্যান করতে পারো। কর্তৃত্বে থাকা কারও বিরুদ্ধেও তুমি অভিযোগ জানাতে পারো। তুমি ভয় পেলে কাউকে বলতে পারো।
বেগম রোকেয়া যদি বেঁচে থেকে "অবরোধবাসিনী" নামটি দেখতেন -- যেই প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে নারী শিক্ষার্থীরা এসব বিধিনিষেধকে চ্যালেঞ্জ করছেন -- তাহলে হয়তো তিনি এর নতুনত্বের আগে এর ধারাবাহিকতাটাই চিনে ফেলতেন।
বঙ্গোপসাগরের নিরাপত্তা কি রাতারাতি উন্নত হবে? ভারতের সঙ্গে সীমান্ত ব্যবস্থাপনা কি সহজ হবে? মিয়ানমারের সঙ্গে সমস্যাগুলোর সমাধান হবে? রোহিঙ্গা সংকটের সমাধান হবে? জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে? উত্তর যদি না হয়, তাহলে একটি কঠিন প্রশ্ন করতেই হবে -- কোন সমস্যার সমাধান করতে গিয়ে আমরা কোন নতুন সমস্যা আমদানি করছি?
যে সংস্কৃতি নির্যাতন সহ্য করার জন্য নারীদের প্রশংসা করে, তা অনিবার্যভাবেই নির্যাতনকারী পুরুষদের জবাবদিহিতাকে দুর্বল করে দেয়।
এই শ্রেণি একদিকে তাদের সন্তানদেরকে ইংরেজি মাধ্যমে পাঠাচ্ছে, আবার একইসঙ্গে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান সমর্থন ও পৃষ্ঠপোষকতা করছে -- সম্ভবত কওমি মাদ্রাসাগুলোকে।
যৌন অভিমুখিতা এবং লিঙ্গ পরিচয় যেহেতু জৈবিক এবং অপরিবর্তনীয়, সেহেতু এগুলোর ভিত্তিতে বাংলাদেশ ২.০-এ কোনো প্রকার রাষ্ট্রীয় বৈষম্য মেনে নেওয়া যাবে না।
চূড়ান্ত চ্যালেঞ্জটি ‘বাঙালি’ না ‘মুসলমান’ -- এই দ্বৈত পছন্দের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; বরং এই দুই পরিচয়ের সহাবস্থানকে একটি গণতান্ত্রিক, বহুত্ববাদী ও আত্মবিশ্বাসী সমাজের বিস্তৃত কাঠামোর মধ্যে উপলব্ধি করা। এই ভ্রান্ত দ্বন্দ্ব অতিক্রম করেই বাঙালি মুসলমানরা তাদের দীর্ঘস্থায়ী অনিশ্চয়তা কাটিয়ে একটি স্থিতিশীল আত্মপরিচয় গড়ে তুলতে পারে।
রন্ধনশিল্পে ইরান বহুদিন ধরেই এক সমৃদ্ধ কেন্দ্র। শুধু নিজের খাবারের জন্যই নয়, ইরানের রন্ধনপ্রথা প্রভাব ফেলেছে তুরস্ক, রাশিয়া, মধ্য এশিয়া এবং উপমহাদেশে। আশ-এ-আনার হচ্ছে কিমা মাংস ও ডালিম বীজ দিয়ে তৈরি একটি জনপ্রিয় স্যুপ, যা শীতকালে বেশি খাওয়া হয়।
একটি ব্যাংকিং সিস্টেমে লুটেরা ডিরেক্টর বা বোর্ড শুধু নয়, ওই ব্যাংকের চড়া সুদে অর্থ রাখা আমানতকারী, ব্যাংকের ব্রাঞ্চ ম্যানেজার, ক্রেডিট অ্যাসেস যারা করেছে, ব্যাংকের অনুমোদন যারা দিয়েছে, সেই ব্যাংকের জেড ক্যাটাগরির শেয়ার যারা কিনেছে, তারা সবাই বিভিন্নভাবে লোভের শিকার।