সেটি দলের লোকজনের চাঁদাবাজি হোক, বা তার আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বাড়াবাড়ি হোক, বা তার মন্ত্রিসভার নীতিগত ত্রুটি হোক, কিংবা তার বাসভবনকে ঘিরে থাকা যানজটের দুর্ভোগের মতো আপাতদৃষ্টে সামান্য কিছুই হোক, দায় শেষ পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রীর কাছেই এসে থামে।
মাদকবিরোধী লড়াইয়ের নামে বন্দুক হাতে টিকটকে হাজির হওয়া ইশরাকের বিরুদ্ধে এবং একটি ক্লিনিক দখল করে নেওয়া বিএনপির নারী সংসদ সদস্য ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়ে তিনি জানিয়ে দিয়েছেন যে এই ধাঁচের আচরণ তিনি সহ্য করবেন না।
এই সংস্কৃতি শুধু আওয়ামী লীগের নয়; এই সংস্কৃতি বিএনপির এবং জামায়াতেরও -- ভিন্ন পদ্ধতির, কিন্তু একই কাঠামোর। তারাও ক্ষমতার কাছে গিয়ে গণমাধ্যম, শিক্ষাবিদ অঙ্গন ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনকে ব্যবহার করেছে নিজেদের আধিপত্য টিকিয়ে রাখতে। পার্থক্য হচ্ছে যে হাসিনা আমলে এর পরিমাণ আর সময়কাল আরও বেশি ছিল।
যদি বিএনপির উদ্দেশ্য হয়ে থাকে মানুষকে বোঝানো যে তাদের প্রতিপক্ষ যা বলে তার সবই সত্য -- যেমন তারা বদলায়নি, এখনও তারা স্বজনপ্রীতি ও রাজনৈতিক আনুগত্যকেই অগ্রাধিকার দেয় -- তাহলে এর চেয়ে আরও কার্যকর বার্তা তারা আর দিতে পারত না।
এই যে পারসেপশন, এই সিগ্নালিং এইটাই আগামীতে সংকট তৈরি করবে যার প্রভাব পড়বে টাকার মানের উপরে কারন একটা ১০ পয়সার কাগজকে কেন আপনি ১০০ টাকা মনে করেন তা আস্থা ও পারসেপশনের উপরে নির্ভরশীল।