মানুষ আর পুরনো অর্থনৈতিক জাতীয়তাবাদের স্লোগান গিলছে না। তারা ক্লান্ত অদক্ষতা, দুর্নীতি আর অন্তহীন বিলম্বে। সাধারণ মানুষের সরল চিন্তা এখন খুব স্পষ্ট — ক্রেন কার, সেটা তাদের বিষয় না; জাহাজ থেকে কত তাড়াতাড়ি পণ্য ওঠানো–নামানো হয়, সেটাই আসল কথা।
পরীক্ষাটা খুব সহজ: আমাদের নেতারা কি রসিকতা সহ্য করতে পারেন? সমালোচনার সামনে পড়ে কি তারা হাতকড়া খোঁজেন? ভিন্নমত আর মিথ্যাঘটিত অপবাদ — এই দু’টির ফারাক কি তারা বোঝেন? যদি উত্তর “না” হয়, তাহলে আমরা কোনো কর্তৃত্ববাদী শাসনকে সরিয়ে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করিনি। আমরা কেবল মুখগুলো বদলেছি, আর এতে মোটেও হাসির কিছু নেই।