বিশ্লেষণ

তেল, সাম্রাজ্যবাদ এবং ভূরাজনীতিঃ সাত দশকে ইরানের রূপান্তর

শাহ মুখে উন্নয়ন আর আধুনিকায়নের কথা বললেও কাঠামোগতভাবে তিনি রাষ্ট্রকে স্বৈরতান্ত্রিক করে রেখেছিলেন। তিনি বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোকে নিষিদ্ধ করেন। SAVAK নামক গোপন পুলিশ বাহিনী গঠন করে হাজার হাজার বিরোধী নেতৃবৃন্দকে নির্যাতন, গুম আর হত্যার নির্দেশ দিয়েছিলেন। এমনকি সেক্যুলার বা মার্কিনবিরোধী বামপন্থী মতাদর্শীরাও তাঁর আগ্রাসনের শিকার হয়েছিল।

কীভাবে অল্প সময়ে মানুষের আস্থা হারাতে হয়

যদি বিএনপির উদ্দেশ্য হয়ে থাকে মানুষকে বোঝানো যে তাদের প্রতিপক্ষ যা বলে তার সবই সত্য -- যেমন তারা বদলায়নি, এখনও তারা স্বজনপ্রীতি ও রাজনৈতিক আনুগত্যকেই অগ্রাধিকার দেয় -- তাহলে এর চেয়ে আরও কার্যকর বার্তা তারা আর দিতে পারত না।

বিএনপির "কেন্দ্রীয় ব্যাংক" এর ভুল

এই যে পারসেপশন, এই সিগ্নালিং  এইটাই আগামীতে সংকট তৈরি করবে যার প্রভাব পড়বে টাকার মানের উপরে কারন একটা ১০ পয়সার কাগজকে কেন আপনি ১০০ টাকা মনে করেন তা আস্থা ও পারসেপশনের উপরে নির্ভরশীল।

অন্তর্বর্তীকালীন সরকার বাংলাদেশকে যা দিল

ড. ইউনূস ও তাঁর উপদেষ্টারা প্রাতিষ্ঠানিকভাবে সচল কোনো রাষ্ট্রের দায়িত্ব নেননি। তাঁরা দায়িত্ব নিয়েছিলেন একটি প্রাতিষ্ঠানিক ধ্বংসস্তূপের। তারপর শুরু হয় পুনর্গঠন।

ড. ইউনূস কোথায় ঠিক ছিলেন, আর কোথায় ছিলেন না

বিদায়ী প্রধান উপদেষ্টাকে বাংলাদেশ শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করবে যখন দেশের অত্যন্ত প্রয়োজন ছিল। সরকারে তার রেকর্ড, অনুমানযোগ্যভাবে, মিশ্র। এর চেয়ে বেশি আশা করা কি ন্যায্য ছিল?

এটাই কি সেই বাংলাদেশ, যেটা আমরা চেয়েছিলাম?

নতুন বাংলাদেশ গড়তে হলে সংখ্যালঘু সুরক্ষা আর সংখ্যালঘু অধিকারকে কেন্দ্রবিন্দুতে আনতেই হবে। সীমান্তের ওপার থেকে আসা উসকানিমূলক অভিযোগের জন্য নয়, বরং কারণ এটা নৈতিকভাবে সঠিক।

যে নির্বাচন বাংলাদেশের প্রয়োজন, কিন্তু যা হচ্ছে না

সময়ের দিক থেকেও কথাটা একেবারে ঠিক জায়গায় এসে পড়েছে। নির্বাচনের তারিখ ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গেই দেশ আবার পরিচিত এক ঘোরে ঢুকে পড়েছে। লক্ষ করার বিষয় হলো -- কী বলা হচ্ছে, তার চেয়েও বেশি গুরুত্বপূর্ণ কী বলা হচ্ছে না।

চট্টগ্রাম বন্দর চুক্তি আমাদেরকে কী শেখায়

মানুষ আর পুরনো অর্থনৈতিক জাতীয়তাবাদের স্লোগান গিলছে না। তারা ক্লান্ত অদক্ষতা, দুর্নীতি আর অন্তহীন বিলম্বে। সাধারণ মানুষের সরল চিন্তা এখন খুব স্পষ্ট — ক্রেন কার, সেটা তাদের বিষয় না; জাহাজ থেকে কত তাড়াতাড়ি পণ্য ওঠানো–নামানো হয়, সেটাই আসল কথা।

যখন হাসির খোঁচা লাগে গণতন্ত্রে

পরীক্ষাটা খুব সহজ: আমাদের নেতারা কি রসিকতা সহ্য করতে পারেন? সমালোচনার সামনে পড়ে কি তারা হাতকড়া খোঁজেন? ভিন্নমত আর মিথ্যাঘটিত অপবাদ — এই দু’টির ফারাক কি তারা বোঝেন? যদি উত্তর “না” হয়, তাহলে আমরা কোনো কর্তৃত্ববাদী শাসনকে সরিয়ে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করিনি। আমরা কেবল মুখগুলো বদলেছি, আর এতে মোটেও হাসির কিছু নেই।